হোয়াইটেনিং হলো বিশেষ জেল ব্যবহার করে দাঁতের ভেতরে জমে থাকা দাগ হালকা করা। টুথ পয়েন্ট ডেন্টাল কেয়ার-এ খরচ ৫,০০০–১২,০০০ টাকা এবং সাধারণত ১–২টি সিটিং লাগে। ফলাফল ৬ মাস থেকে ২ বছর পর্যন্ত থাকে, যা আপনার খাদ্যাভ্যাসের উপর নির্ভর করে।
কখন দরকার
কাদের ক্ষেত্রে কাজ করে
- চা, কফি, পান বা ধূমপানের দাগ — ভালো কাজ করে
- বয়সজনিত স্বাভাবিক হলদে ভাব — ভালো কাজ করে
- ওষুধজনিত (টেট্রাসাইক্লিন) দাগ — কম কাজ করে
- ক্রাউন, ফিলিং বা কৃত্রিম দাঁত — কাজ করে না, এগুলোর রঙ বদলায় না
কীভাবে করা হয়
আগে যা জেনে রাখা দরকার
অনেক ক্ষেত্রে দাঁতের হলদে ভাব আসলে উপরের পাথর ও দাগের কারণে। শুধু স্কেলিং ও পলিশিং করালেই (১,০০০–২,০০০৳) অনেকের দাঁত যথেষ্ট পরিষ্কার হয়ে যায়। হোয়াইটেনিং লাগবে কিনা, তা ডাক্তার দেখে বলবেন — অপ্রয়োজনে খরচ করানো আমাদের নীতি নয়।
সতর্কতা: দোকানে পাওয়া হোয়াইটেনিং কিট বা ঘরোয়া পদ্ধতি (বেকিং সোডা, লেবু, ছাই, কয়লা) ব্যবহার করবেন না। এগুলো দাঁতের এনামেল স্থায়ীভাবে ক্ষয় করে ফেলে, যা আর ফিরে পাওয়া যায় না।
খরচ
হোয়াইটেনিংয়ের খরচ
চিকিৎসা
খরচ
দাঁত সাদা করা (১–২ সিটিং)
৫,০০০–১২,০০০৳
স্কেলিং ও পলিশিং (আগে করা হয়)
১,০০০–২,০০০৳
সচরাচর জিজ্ঞাসা
হোয়াইটেনিং নিয়ে যে প্রশ্নগুলো আসে
ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে সঠিক মাত্রার জেল ব্যবহার করলে এনামেলের ক্ষতি হয় না। ঝুঁকি তৈরি হয় নিজে নিজে বাজারের কিট ব্যবহার করলে।
৬ মাস থেকে ২ বছর। নিয়মিত চা, কফি বা পান খেলে দাগ দ্রুত ফিরে আসে।
কিছু রোগীর ২–৩ দিন শিরশিরানি হয়, যা নিজে থেকেই সেরে যায়।
অন্যান্য সেবা
আপনার যেটি দরকার হতে পারে
স্কেলিং ও পলিশিং
দাঁতে জমা পাথর ও দাগ পরিষ্কার করা। মাড়ি থেকে রক্ত পড়া ও মুখের দুর্গন্ধের সবচেয়ে সাধারণ সমাধান।
সিরিয়াল নিন
দাঁতের সমস্যা ফেলে রাখবেন না
ছোট সমস্যা সময়মতো দেখালে খরচ ও কষ্ট দুটোই কম হয়। আজই ফোন করে সময় ঠিক করে নিন — প্রতিদিন বিকাল ৪টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত।