দাঁতের ভেতরের নার্ভ ও পাল্পে সংক্রমণ হলে সেই সংক্রমিত অংশ বের করে নালিগুলো পরিষ্কার ও সিল করে দাঁতটি বাঁচানোর চিকিৎসাই রুট ক্যানেল। টুথ পয়েন্ট ডেন্টাল কেয়ার-এ সামনের দাঁতে খরচ ৩,০০০–৫,০০০ টাকা এবং মাড়ির দাঁতে ৫,০০০–৮,০০০ টাকা, সাধারণত ২–৩টি সিটিং লাগে।
কখন দরকার
কখন রুট ক্যানেল লাগে
- রাতে বা শুয়ে থাকলে দাঁতে তীব্র ব্যথা
- গরম বা ঠান্ডা খেলে ব্যথা যা অনেকক্ষণ থাকে
- দাঁত বা মাড়ি ফুলে যাওয়া, পুঁজ হওয়া
- দাঁত কালচে হয়ে যাওয়া
- বড় গর্ত যা নার্ভ পর্যন্ত পৌঁছেছে
কীভাবে করা হয়
কীভাবে করা হয়
লোকাল অ্যানেস্থেসিয়া দিয়ে দাঁত সম্পূর্ণ অবশ করা হয়, তাই চিকিৎসার সময় ব্যথা লাগে না। এরপর দাঁতের উপরে ছোট ছিদ্র করে ভেতরের সংক্রমিত পাল্প বের করে আনা হয়, নালিগুলো রোটারি মেশিন দিয়ে পরিষ্কার ও আকার দেওয়া হয়, এবং জীবাণুমুক্ত করে ভরাট করে সিল করে দেওয়া হয়।
রুট ক্যানেলের পর ক্রাউন লাগে কেন? রুট ক্যানেল করা দাঁত ভেতর থেকে ফাঁপা ও দুর্বল হয়ে যায়, তাই চাপ পড়লে ফেটে যেতে পারে। বিশেষ করে মাড়ির দাঁতে ক্রাউন বসানো জরুরি, নইলে কয়েক মাসের মধ্যেই দাঁত ভেঙে যেতে পারে এবং পুরো খরচটাই নষ্ট হয়।
খরচ
রুট ক্যানেলের খরচ
চিকিৎসা
খরচ
রুট ক্যানেল — সামনের দাঁত
৩,০০০–৫,০০০৳
রুট ক্যানেল — মাড়ির দাঁত
৫,০০০–৮,০০০৳
ক্রাউন (আলাদা খরচ)
৪,০০০–১৫,০০০৳
সচরাচর জিজ্ঞাসা
রুট ক্যানেল নিয়ে যে প্রশ্নগুলো আসে
এটি সবচেয়ে বড় ভুল ধারণা। অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়ার পর চিকিৎসার সময় ব্যথা লাগে না। বরং রুট ক্যানেল করাই হয় যে তীব্র ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে। চিকিৎসার পর ২–৩ দিন হালকা ব্যথা থাকতে পারে, যা ওষুধে নিয়ন্ত্রণে থাকে।
সাধারণত ২–৩টি। সংক্রমণ বেশি থাকলে বা পুঁজ থাকলে আরও এক সিটিং লাগতে পারে। সিটিংগুলোর মাঝে ৩–৭ দিন বিরতি থাকে।
ক্রাউন বসিয়ে নিলে ১৫–২০ বছর বা তারও বেশি টেকে। ক্রাউন ছাড়া রেখে দিলে অনেক আগেই ভেঙে যেতে পারে।
তুলতে খরচ কম, কিন্তু হারানো দাঁতের জায়গা পূরণ করতে ইমপ্লান্ট (৫০,০০০৳+) বা ব্রিজ (১২,০০০৳+) লাগে। আর নিজের দাঁতের বিকল্প নেই। সম্ভব হলে দাঁত বাঁচানোই ভালো।
সিরিয়াল নিন
দাঁতের সমস্যা ফেলে রাখবেন না
ছোট সমস্যা সময়মতো দেখালে খরচ ও কষ্ট দুটোই কম হয়। আজই ফোন করে সময় ঠিক করে নিন — প্রতিদিন বিকাল ৪টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত।